বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৬ দফা দাবিতে বেসরকারি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন

বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বেসরকারি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ।

দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৯ নভেম্বর (মঙ্গলবার) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

রোববার (২০ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সালেহ বেলালের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইলিয়াস রাজ।

লিখিত প্রবন্ধে ইলিয়াস রাজ বলেন, দুই বছর আগে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর সব তথ্য অনলাইনে জমা দিয়েছি। তবে আজ পর্যন্ত আমাদের বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বিজ্ঞাপন

এতে অনিশ্চিয়তার মুখে পড়ছে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া সন্তানদের ভবিষ্যৎ। আমরা আশা করি প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবির প্রতি সদয় হবেন।

বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিবন্ধী শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে মানবেতর জীবন যাপনকারী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা শতভাগ শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনের ব্যর্থ হবেন। সরকার ঘোষিত শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধীদের নির্ঝঞ্জাট শিক্ষা ও শিক্ষদের অর্থনৈতিক মুক্তি বাঞ্চনীয়।

বিজ্ঞাপন

৬ দফা দাবিগুলো হলো-

বিজ্ঞাপন
  • অনতিবিলম্বে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিও নিশ্চিত করা।
  • বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়োগের তারিখ থেকে চাকরি নিয়মিত করা ও বেতন-ভাতা দেওয়া নিশ্চিত করা।
  • শতভাগ বিদ্যালয়ে আধুনিক মানসম্পন্ন প্রতিবন্ধী বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ সুনিশ্চিত করা।
  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিশেষ শিক্ষা কারিকুলাম অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করা, একটি আধুনিক থেরাপি সেন্টার নিশ্চিত করা ও সব শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলসহ শিক্ষা উপকরণ (বই, খাতা, কলম, ছাতা, স্কুল ড্রেস, জুতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র) দেওয়া।
  • প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপবৃত্তি ও প্রতিবন্ধী ভাতা শতভাগ দেওয়া সুনিশ্চিত করা। প্রতিবন্ধী ভাতা ন্যূনতম পাঁচহাজার টাকা নিশ্চিত করা।
  • শিক্ষা জীবন শেষে প্রত্যেকের আত্মনির্ভরশীল জীবন-যাপনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমম্বয় পরিষদের সমন্বয়ক গাউসুল আযম শিমু, সহ-সাধারণ সম্পাদক রিমা খাতুন, সহ-সভাপতি তারিকুল শমসের, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন প্রমুখ।

আরইউ/

বিজ্ঞাপন
আরো দেখুন
বিজ্ঞাপন

সম্পর্কিত খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন
Back to top button